সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১০
মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০১০
Coordination must to achieve Digital Bangladesh

Business Report
The roundtable was convened by Mohammad Kawsar Uddin, president, BIJF and Md. Mojahidul Islam, Secretary General of BIJF.
The chief guest at the event said a lot of efforts are already in process towards developing Digital Bangladesh. But due to its sporadic development, people are not able to picture the whole situation. The government should come up with specific plan and a participatory environment and present its activities to the public in a coordinated manner. A coordinator maybe appointed to centrally manage the process. 'Like the others, I too believe that the Ministry of Science and ICT and the Ministry of Post and Telecommunication should be merged instead of keeping them separate.' He also emphasized on reforming the Bangladesh Computer Council. Dr Akram Hossain Chowdhury said, 'in my constitution those who approach to me on email, I consider their applications with greater priority. In spite of many efforts made in the last one year towards Digital Bangladesh, there has not been a roadmap to implement them. We will try to discuss the matter in parliament.'
The roundtable was attended by Mustafa Jabbar, president, Bangladesh Computer Samity, Habibullah N Karim, president, Bangladesh Association of Software Information and Services, Akhteruzzaman Manju, president, Internet Service Providers Association of Bangladesh, Mojahidul Islam, general secretary of BIJF, AHM Sultanur Reza, deputy general manager of Grameenphone, Moutushi Kabir, communication manager, Nokia Emerging Asia, Mujibur Rahman Shawpan, secretary general of BCS, Fahim Mashroor, chief executive of Bdjobs, Tarek Barkatullah, senior system analyst of Bangladesh Computer Council, Moinul Haq Siddiqui, managing director of Fiber@Home, S M Akash, communication and media manager of Access to Information with the Prime Minister's Office, Professor Dr. Lutfor Rahman of Computer Science Department of Dhaka University, Dr Aminul Haq of Bangladesh University of Engineering and Technology and many more. The roundtable was moderated by TIM Nurul Kabir, chairman of Digital Knowledge Foundation.
The discussants at the roundtable pointed out that the government's budget allocation of Tk 100 crore in the ICT sector last year remains unused till date. There has not been much of success in the last year towards implementing Digital Bangladesh.
There has been a lack of responsibility on the part of government towards taking initiatives. The discussion also urged the need for public and private partnership towards faster implementation of the vision 2021. The organisers assured to reach the recommendations to the government at the earliest.
Source:http://nation.ittefaq.com/issues/2010/01/20/news0770.htm
অনলাইনে আয় রোজগার বিষয়ক বই

তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয় করার অনেক সুযোগ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অনলাইনে আয় রোজগার সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে হবে। থাকতে হবে আউটসোর্সিং বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান। অনলাইনে আয় রোজগার নিয়ে প্রযুক্তি অঙ্গনের সুপরিচিত লেখক মোজাহেদুল ইসলাম ঢে...উ রচিত নতুন বই ‘সম্ভাবনার ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং, ইন্টারনেটে ঘরে বসেই আয়’ নামক বই সম্প্রতি বাজারে এসেছে। ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের পথ জানার সর্বশেষ তথ্য সম্বলিত এই বইটি প্রকাশ করেছে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী। চারশ পৃষ্ঠার এই বইটির মূল্য মাত্র ২০০ টাকা। বিস্তারিত : জ্ঞানকোষ প্রকাশনী, ৩৮/২-ক বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। ফোন : ৭১১৮৪৪৩, ৮১১২৪৪১।
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০০৯
বাংলাদেশের আইটি শিল্পে প্রিন্ট মিডিয়ার বর্তমান ভূমিকা

মোজাহেদুল ইসলাম বিভাগীয় সম্পাদক তথ্যপ্রযুক্তি, দৈনিক ইত্তেফাক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক , ই-বিজ, জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ আইসিটি জেনারেল ফোরাম (এটিএন বাংলার আইটি জোন অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে আগামী কাল বুধবার, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে। ইন্টারভিউ-এর সারসংপে)
বাংলাদেশের আইটি শিল্পে প্রিন্ট মিডিয়ার বর্তমান ভূমিকা কি রকম? এেেত্র ব্যাপক ভূমিকা পালন করে চলেছে দেশের আইসিটি শিল্পে। এর সব চেয়ে বড় দাবীদার মাসিক আইটি ম্যাগাজিনগুলো। গত প্রায় দুই দশক ধরে এই আইটি প্রকাশনাগুলো তাদের লেখালেখিতে দেশে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রেখে চলেছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প যখন ভালভাবে গড়েও উঠেনি তখনও অনেকেই নিজ উদ্যোগে এগুলো প্রকাশ করে মানুষকে জানান দিয়েছে আইটির বার্তা। কোনরকম ব্যবসায়িক সফলতা ছাড়াও অনেক সাংবাদপত্র শুধু আইটি’র জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ রেখেছে। কারণ এর পাঠক প্রিয়তা অনেক বেশি। বিশেষ করে তরুণ সমাজ তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে জানতে আগ্রহী।
প্রিন্ট মিডিয়া বাংলাদেশের আইটি সমৃদ্ধির জন্য কিভাবে এবং কি কাজ করছে?ঠেকে ঠেকে শেখা, হাতের অন্দাজে পথ খোঁজা কোনো বুদ্ধিমান জাতির কাজ নয়। আমাদের জনগণ যা বোঝেন তা যদি নীতিনির্ধারকদের বুঝতে সাত-আট বছর লেগে যায়, তাহলে এই জাতির কাছে হতাশা ছাড়া আর কিছুই রইবে না। ১৯৯৩ সালে প্রথম যখন ইমেইল সার্ভিস শুরু হয় তখন দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে বলে এটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঠিক যেমনি ফটোকপিয়ার মেশিন আমদানির বিষয়েও একই অজুহাত দেখিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রবেশের পথ দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। ১৯৯৪ সালে ফাগ নামে বিশ্ব সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সুপার হাইওয়েতে প্রবেশ করতে পারতো কিন্তু বাংলাদেশ এতে অংশ না নিলেও পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ঠিকই যুক্ত হয়। সেই বছরই ২৪ হাজার কোটি টাকার ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য বিদেশী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে ফিরে যায়। বাংলাদেশ বঞ্চিত হয় হাজার কোটি টাকার আউটসোর্সিং কাজের সম্ভাবনা থেকে। এরপর অনেক চড়াইউৎরাই পার হয়ে ২০০৬ সালে প্রায় ১২ বছর পর বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হয়। ৮০ দশক থেকে বাংলাদেশে কম্পিউটার আমদানি হলেও তার মধ্যে আমদানি শুল্ক ছিল। যার কারণে দেশের কম্পিউটারে ব্যবহার প্রসারিত হয়নি। দেশের প্রিন্ট মিডিয়াগুলো এই বিষয়ে বার বার তাদের লেখনির মাধ্যমে কম্পিউটার শুল্ক মুক্ত করার জন্য দাবী জানায়। ’৯০-এর দশকেও যদি শুল্কমুক্ত কম্পিউটার বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কাছে আসতো তাহলে আজ ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের গ্লোবাল ইনফরমেশন টেকনোলজি রিপোর্টের নেটওয়ার্ক রেডিন্যাস ১২৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তে নামতো না। ১৯৯৮ সালে দেরি করে হলেও প্রিন্ট মিডিয়ার বদৌলতে শুল্কমুক্ত কম্পিউটার বাজারে আসে। দেশের ডাটা এন্ট্রি, মেডিকেল ট্রান্সস্ক্রিপশন, আউটসোর্সিং, ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার, দ্রুতগতির ইন্টারনেট, তারবিহীন ইন্টারনেট, মোবাইল ব্রডব্যান্ড বা থ্রিজি, সফটওয়্যার শিল্প, অনলাইন আউটসোর্সিং এসব বিষয়ে জনগণের আশা আকাঙ্খা নীতিনির্ধারকদের কাছে তথা সরকারের কাছে দেশের মিডিয়া গুলো তুলে ধরেছে প্রয়োজন মাফিক। স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উপল্েয ২০১১ সালে ৪০ হাজার টেলিসেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে কপি রাইট আইন প্রণয়ন করা হয়। এই বছর তথ্য প্রযুক্তি খাতে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন করা হয়। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরে আইসিটি বাজেট দেয়া হয় মাত্র ২২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ১৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়। জুলাই ২০০৫ সালে বাজেটে ১০শতাংশ হারে কর প্রস্তাব করা হয়। যদিও এটি পরে বাতিল হয়।
আইটি সাংবাদিকতা পেশাটি এখন সাংবাদিকতার অবস্থানের মাপকাঠিতে কোন অবস্থায় আছে?
গত দুই দশকে আইটি সাংবাদিকতা একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। তার পরেও এখনো এই সাংবাদিকতা অন্য সাংবাদিকদের চেয়ে একটু ভিন্ন। গতানুগতিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে অনেক সাংবাদিক আইটিতে রিপোর্ট করলেও প্রযুক্তিগত বিষয়ে অনেক ভুলভ্রান্তি দেখা যায়। আবার আইটি সাংবাদিকরা প্রযুক্তিগত বিষয়ে ভাল ধারণা থাকলেও রিপোর্টিংয়ের বিভিন্ন বিষয়গুলো তুলে ধরতে অনেক সময় পারে না। এই বিষয়গুলো আমরা নজরে রেখেই আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠন ‘বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম’-এর প থেকে বিভিন্ন সময়ে পিআইবিসহ বিভিন্ন ইনস্টিটিউটে প্রশিণের ব্যবস্থা করি পেশাগত দতা বাড়ানোর জন্য। তথ্যপ্রযুক্তি সংবাদিকতায় যেহেতু তরুণরাই বেশি কাজ করে তাই অনেক সময় অন্য তথ্যপ্রযুক্তি পেশার দিকে তারা ধাবিত হয়।
Source: http://ebiz.com.bd/atn.php
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০০৯
আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্টের জন্য ন্যাশনাল কংগ্রেস আয়োজনে বিজ্ঞান প্রতিমন্ত্রীর সহায়তার আশ্বাস

বিজিডব্লিউসিআইডি প্রতিনিধি দলের সাাৎ
বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্র“প ফর ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্টের (বিজিডব্লিউসিআইডি) উপদেষ্টা সংসদ সদস্য আকরাম হোসেন চৌধুরী ২৩ মার্চ এক প্রতিনিধি দল নিয়ে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের সাথে বৈঠক করেছেন। আকরাম হোসেন মন্ত্রীকে ডব্লিউসিআইডি এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্র“প সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। বিজিডব্লিউসিআইডি’র পে অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন চীনে আগামী ২-৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ডব্লিউসিআইডি ২০০৯ বিষয়ে মন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং ওয়ার্কিং গ্র“প গঠন এবং উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এসময় তিনি চীনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশী অংশগ্রহনকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য মন্ত্রীকে আহবান জানান। প্রতিনিধি দলের প থেকে ডব্লিউসিআইডি ২০০৯-এ অংশ নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের নিবিড় সহযোগিতায় ন্যাশনাল কংগ্রেসের আয়োজন করতে মন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয়।
ইয়াফেস ওসমান এ ব্যাপারে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বিজিডব্লিউসিআইডি’র কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি অবহিত বলে জানান। তিনি তার মন্ত্রণালয়ের প থেকে এ ব্যাপারে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। ন্যাশনাল কংগ্রেস আয়োজনেও তার সর্বাত্মক সহায়তা থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
বাংলাদেশ এনজিও’স নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) সিইও এএইচএম বজলুর রহমান এবং মাসিক কমপিউটার জগৎ-এর সহকারি সম্পাদক এম. এ. হক অনু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্র“পের অপর সদস্যরা হলেন আপলোড ইয়োর সেলফ লিমিটেডের সিইও এবং চেয়ারপার্সন ফারহানা এ রহমান ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) সাধারণ সম্পাদক এ এ মুনির হাসান।
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০০৯
টেলিমেডিসিনের জন্য ৮শ পয়েন্টে ওয়ারলেস ইন্টারনেট দেয়া হবে
টেলিমেডিসিনের জন্য ৮শ পয়েন্টে ওয়ারলেস ইন্টারনেট দেয়া হবে
ঢাকা, ২৯ মার্চ (মিডিয়া ফর মিডিয়া)- চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে টেলিমেডিসিনের কথা সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। এজন্য আগামী মাসের মধ্যে বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য খাতের প্রায় ৮শ’টি পয়েন্টে ওয়ারলেস ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হবে।সংযোগের আওতায় আসবে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকল্প বা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অফিস, সিভিল সার্জন অফিস, সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ, সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল, সকল ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, সকল ম্যাটস ও ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক রোববার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির দু’দিনব্যাপী ২২তম বৈজ্ঞানিক কংগ্রেসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা জনানা।
তিনি বলেছেন, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা ও জীবনের গতিময়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ও অসুস্থতা চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। তাই অর্থোপেডিক ও ট্রমা চিকিৎসা এবং অর্থোপেডিক সার্জারি চিকিৎসা সুবিধার সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ের বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে।
তিনি বলেন, সরকার চিকিৎসক ও চিকিৎসা খাতের ব্যবস্থাপকদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা হবে। এছাড়া, ইতোমধ্যে সকল জেলা সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সাধারণ সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা ও চিকিৎসকদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ও সচেষ্ট। চিকিৎসকদের প্রতিটি পদোন্নতির জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মুখোমুখী হতে হয়, অন্য সার্ভিসের কর্মকর্তাদের তেমনটি করতে হয় না, এটি বড় ধরনের বৈষম্য। এ বৈষম্য নিরসনের জন্য সক্রিয়ভাবে চিন্তা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক শেখ নূরুল আলম এবং সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বক্তৃতা করেন ।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিন'শ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত
বৃহষ্পতিবার প্রায় তিনশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম প্রধান অবকাঠামো হিসেবে ন্যাশনাল আইপি ব্যাকবন তৈরির লক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক সমূহের মধ্যে রয়েছে নতুন অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিদ্যমান অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে উচ্চমতা সম্পন্ন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে আইপি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা প্রদানের জন্য একসেস নেটওয়ার্ক স্থাপন।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট একসেস স্পিড ২৫৬ কেবিপিএস বা তার অধিক থাকবে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিপিএন, পয়েন্ট টু মালটি পয়েন্ট ট্রিপল প্লে বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আইপি ফোন, আইপিটি ভুক্ত এবং ভবিষ্যতে আইপি ভিত্তিক যেকোন সেবা সুবিধা পাওয়া যাবে।
মেসার্স কেটি কর্পোরেশন কোরিয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রকল্পবাস্তবায়নকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স কেটি কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।সরকারের পক্ষে বিটিসিএল এমডি এসএম খাবিরুজ্জামান এবং মেসার্স কে টি কর্পোরেশন, কোরিয়ার পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাং সু হো চুক্তি স্বাক্ষর করেন।ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেছেন, দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে ইন্টারনেট ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে আরো একধাপ অগ্রগতি সূচিত হলো।
তিনি ঢাকায় টেলিযোগাযোগ ভবন সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) জিয়া আহমেদ, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত সুক বাম পার্ক এবং বিটিসিএল এর এমডি এস এম খাবিরুজ্জামান বক্তৃতা করেন।মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইন্টারনেট ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক এক্সপানশন (ইনফোবাহন) প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে তথ্য প্রযুক্তি বিকাশে এক যুগান্তকারী ইতিহাসের সূচনা হবে। ছাত্র ছাত্রীরা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞান বিকাশের অবারিত সুযোগ পাবে।
