ডিজিটাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ডিজিটাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০০৯

ডিজিটাল জীবনধারা গড়ার প্রত্যয়

এর দ্বারা পোস্ট করা Digital Bangladesh এই সময়ে ১২:৫৪ AM 0 মন্তব্য(গুলি)

ডিজিটাল প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় সংকল্প এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সহযোগিতার সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে প্রযুক্তি ও প্রযুক্তিভিত্তিক জীবনধারা নিয়ে বর্ণাঢ্য ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো’। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দেশের প্রধান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি আয়োজিত, জীবন ঘনিষ্ঠ ডিজিটাল প্রদর্শনী হিসেবে ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো’ প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চার দিনব্যাপী বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো’র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)’র সভাপতি মোস্তফা জব্বারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। ডিজিটাল এক্সপো-২০০৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আগামী প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রজন্ম হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ২০১৩ সাল থেকে মাধ্যমিক স্তরে এবং ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক স্তরেও আইটি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া হিসাবেই দেশে চালু করা হবে ই-গভর্নেন্স। বছরে ১০ হাজার প্রোগ্রামার তৈরির জন্য যে সহায়তা দরকার সরকারের পক্ষ থেকে তা নিশ্চিত করা হবে। ২০২১ সালের আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে পরিকল্পনা প্রণয়ণ করে সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’ বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তির প্রসারে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ কমপিউটার সমিতির সাবেক আটজন সভাপতি (এস. এম. কামাল, সাজ্জাদ হোসেন, মোস্তাফা জব্বার, আফতাব উল ইসলাম, আব্দুল্লাহ এইচ কাফি, মোঃ সবুর খান, এস এম ইকবাল এবং মোঃ ফয়েজউল্যাহ্ খান)কে প্রধানমন্ত্রী সম্মামনা ক্রেস্ট প্রদান করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত তার বক্তব্যে বলেন, কম্পিউটার শিক্ষায় উন্নতি করতে পারলেই দেশের উন্নয়ন হবে। এজন্য আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কম্পিউটার শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে করে দেশের বিকাশমান সফটওয়্যার শিল্প রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিনত হবে। সেই সাথে অচিরেই সরকার কানেকটিভিটি বাড়াবে এবং ই-কমার্সে প্রবেশ করবে। বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই তাদের কার্যকলাপে প্রমান করেছে যে সরকার তথ্য প্রযুক্তির প্রতি ইতিবাচক মনোভাবাপন্ন। তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন জনগণই বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করবে। বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান তার বক্তব্যে ডিজিটাল শক্তি আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিসিএস সভাপতি মোস্তফা জব্বার সভাপতির বক্তব্যে বলেন, সারা বিশ্বে এখনও লক্ষ লক্ষ তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট দক্ষ পেশাজীবীদের চাহিদা রয়েছে। দক্ষ প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে সরকার যেন বছরে অন্তত ১০ হাজার প্রোগ্রামার তৈরির ব্যবস্থা করে। সরকারি বিভিন্ন অফিস, আদালত, ভূমি রেকর্ড, রাজস্ব বোর্ড সহ সকল স্তরে কম্পিউটার ব্যবহারের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। চারদিনব্যাপী আয়োজিত ডিজিটাল এক্সপো’তে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল জীবনধারায় আবর্তিত হয়ে জনগণের দৈনন্দিন জীবন কতটা উন্নত করা যায় তা প্রদর্শনই মূল লক্ষ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এবার মোট ৫৪টি প্রতিষ্ঠান ১৬টি প্যাভিলিয়ন ও ৬২টি স্টলে তাদের প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করে। ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি পণ্য এবং এর ব্যবহার, ল্যাপটপ, নোটবুক, মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, ডিজিটাল ফটোফ্রেম, ফটো প্রিন্টার, ওয়াইফাই এক্সেস পয়েন্ট, ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ, বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট ভিত্তিক পণ্যসমূহ প্রদর্শনসহ এবারই প্রথম প্রযুক্তি মেলায় অংশগ্রহণ করেছে সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে কৃষি, ভূমি, শুল্ক, চিকিৎসা প্রভৃতি বিষয়ে কাজ করে যাওয়া প্রতিষ্ঠানসমূহ। দেশের সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশে এবারের ডিজিটাল এক্সপোতে সফটওয়্যার প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করা হয়। সেই সাথে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বর্তমান অবস্থান এবং ভবিষ্যতের মধ্যে রূপরেখা প্রণয়নে তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটসহ গোল টেবিল বৈঠক এবং সেমিনারের আয়োজন করা হয়। গত কাল বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি এবং ইউএনডিপি’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থা এবং নাগরিক সেবা ও শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ শীর্ষক দু’টি গোল টেবিল বৈঠক। আজ ডিজিটাল এক্সপো’র শেষ দিনে বিসিএস এবং ইউএনডিপি’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রাধিকার শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক। সর্বাধুনিক সকল ধরনের প্রযুক্তি পণ্যের বিপুল সমাহার ঘটেছে এবারের এই প্রদর্শনীতে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি পণ্যসমূহ দর্শনার্থীদের নিকট প্রদর্শনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানউন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা প্রদান করেছে। চারদিন ব্যাপী ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ২০০৯’ প্রতিদিনই ব্যাপক দর্শক সমাগমে মুখোরিত হয়ে উঠে। মূলত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য সমূহের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে এবারের ডিজিটাল এক্সপো’তে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনায়নে ডিজিটালাইজড পদ্ধতির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে দ্রুততার সাথে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ সাধন করা সম্ভব। ডিজিটাল এক্সপো আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য মানুষের মধ্যে আইসিটি ভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করা। গত তিন দিন মানুষের আগ্রহ এবং সচেতনতা আমাদের উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশে ভবিষ্যত কর্মপদ্ধতি প্রণয়নে। মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে সর্বশেষ প্রযুক্তি নির্ভর পণ্যসমূহের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় আমি মনে করি ডিজিটাল এক্সপো দেশের মানুষের জীবন যাত্রায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বর্তমানের তুলনায় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।’ বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো’র আহবায়ক শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি, কর্মপদ্ধতি, সেবাসমূহ এবং এসবের বহুবিধ ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের এই প্রযুক্তি পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে প্রকৃত পক্ষে এই ডিজিটাল এক্সপো ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি।’ ডেফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে মানুষের মধ্যে যে আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা যথাযথভাবে প্রাত্যহিক জীবনে উপস্থাপনের লক্ষ্যে এই প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সেই সাথে দেশের সর্বত্র কম্পিউটারাইজ কার্যক্রম সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।’ এক্সেল টেকনোলজিস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক গৌতম সাহা বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সম্পর্কে বলেন, ‘ডিজিটাল জীবনধারাতে প্রযুক্তিপণ্যের ব্যবহার সম্পর্কে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সচেতন করে তুলতে এই প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। প্রাত্যহিক জীবনে প্রযুক্তিপণ্যসমূহ ব্যবহারের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্পর্কে যতবেশি মানুষ ধারণা লাভ করবে ততই দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনেকরি।’
ডিজিটাল এক্সপোতে জেএএন এসোসিয়েটস ক্যাননের বিভিন্ন মডেলের ক্যামেরায় ২০% পর্যন্ত মূল্যছাড় প্রদান করে।
ডিজিটাল এক্সপো’তে আসুসের বিভিন্ন মডেলের নোটবুক, ই পিসি এবং নতুন ৬টি মডেলের ডেস্কটপ পিসি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড। আসুসের প্রতিটি পিসির সাথে রয়েছে টেবিল ঘড়ি, পেন ড্রাইভ, টি-শার্টসহ আকর্ষণীয় উপহার।

কমভ্যালি অংশগ্রহণ করেছে বিশ্বখ্যাত বেনকিউ ব্র্যান্ডের ম্যাট্রিক্স পিসি এবং জয়বুক ল্যাপটপ নিয়ে। প্রতিটি ল্যাপটপ ক্রয়েই ক্রেতাদের প্রদান করা হয় স্ক্র্যাচ কার্ড যার মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ব্যাক অফার প্রদান করা হয়। ফ্লোরা লিমিটেড বিভিন্ন মডেলের নাইকন ডিজিটাল ক্যামেরায় ১ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্য ছাড় প্রদান করে ডিজিটাল এক্সপো’তে। সেই সাথে এইচপি প্রিন্টার এবং এপসন-এর বিভিন্ন প্রিন্টার সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হয়। এপসন ব্র্যান্ডের প্রিন্টার সমূহে ২০০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্য ছাড় প্রদান করা হয়েছে।
মেলায় রিশিত কম্পিউটার এইচপির পরবর্তী প্রজন্মের টাচ্ স্মার্ট পিসি এবং ইন্টেল সেন্ট্রিনো টু প্রযুক্তির বিশ্বখ্যাত সনি ভায়ো, ডেল, এইচপি, লিনোভো ল্যাপটপ প্রদর্শন করে। প্রতিটি পণ্যের সাথে রয়েছে নগদ মুল্য হ্রাস এবং আকর্ষণীয় উপহার। বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহযোগিতায় এই মেলার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে একটেল, লেনোভো, মাইক্রোসফ্ট, স্যামসাং এবং অফিসিয়াল আইএসপি হিসেবে রয়েছে বাংলা লায়ন কমিউনিকেশনস। তাছাড়া ই-টিকেটের স্পন্সর করেছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস এবং স্যামসাং।

আজ ডিজিটাল এক্সপো’র সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এবং বিজ্ঞান তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি এবং বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোক্তাদের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা আগামী দিনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে প্রযুক্তি নির্ভর সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে নিশ্চিতভাবে।

ইশতিয়াক মাহমুদ
Source:http://www.ittefaq.com/content/2009/03/28/news0689.htm