তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০০৯

ডিজিটাল বাংলাদেশ

এর দ্বারা পোস্ট করা Digital Bangladesh এই সময়ে ৭:২১ AM 0 মন্তব্য(গুলি)
ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে
তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বকে গ্লোবাল ভিলেজ বা একটি দূরত্ব ঘুচে যাওয়া গ্রামে রূপান্তরিত করেছে। আধুনিক এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমাদের জীবনযাপন এবং সংস্কৃৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক প্রেক্ষাপট। এই পরিবর্তনশীলতায় সময়ের সঙ্গে এগিয়ে থাকার প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করেছিলেন, ২০২১ সালের মধ্যে আমাদের প্রিয় স্বদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবেন।

এমনিতেই ছোট্ট, দরিদ্র, বেকারত্ব ও ঝড়-ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত হয়ে আছে আমাদের প্রিয় জš§ভূমি। তৃতীয় বিশ্বের তকমা বুকে নিয়ে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অন্যান্য সমস্যায় যখন ক্রমাবনতির দিকে, তখন নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণায় তরুণ প্রজš§সহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে একটি ইতিবাচক স্বপ্নের বীজ রোপিত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই পরিবর্তনের অঙ্গীকারে শামিল হতেই অনুষ্ঠিত হয় নীরব ভোটবিপ্লব। আশান্বিত যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আমাদের অর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু খুব সামান্যসংখ্যক মানুষই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের উপায়, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারিক সুবিধা ও সম্ভাব্য সাফল্য সম্পর্কে ভাবতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অগ্রযাত্রায় শামিল হতে সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাদার ও স্বপ্নবান মানুষেরা এগিয়ে এসেছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির আয়োজিত রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো চার দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল এক্সপো-২০০৯’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের মেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেমিনারের আয়োজন উৎসবকে কার্যকরী করে তুলেছে। এ ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তিকে পৌঁছে দেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি, বিশ্বের খ্যাতিমান প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিতম পণ্য ও সেবার প্রদর্শনী মেলায় আগতদের আকৃষ্ট করেছে। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিসিএস সভাপতি মোস্তাফা জাব্বারের প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে ঘোষণা করেন সরকার কমপক্ষে ১০ হাজার প্রোগ্রামার তৈরির পদক্ষেপ নেবে। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে উন্নত বিশ্বে কর্মক্ষেত্র তৈরির প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন, যা আমাদের আশান্বিত করেছে।
একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পক্ষ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনটির সভাপতি মোস্তাফা জাব্বার কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হচ্ছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি
ষ জনগোষ্ঠীর সকল অংশের কাছে, বিশেষত গ্রাম, শহরসহ অন্যত্র বসবাসকারী মানুষের কাছে ডিজিটাল প্রযুক্তি সহজলভ্য করে পৌঁছাতে হবে। দরিদ্র জনগণকে জ্ঞানকর্মী বা ডিজিটাল প্রযুক্তিকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং গ্রামে গ্রামে ডিজিটাল শিল্প-বাণিজ্যসহ কৃষি, শিক্ষা, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করতে হবে। সরকার প্রদত্ত সব সহায়তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের সব নাগরিকের প্রয়োজনীয় তথ্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় থাকতে হবে, যাতে সরকার সময়মতো সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে পারে। সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইড দূর করতে হবে।
ষ ডিজিটাল মাধ্যমসহ সব মিডিয়ায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এ সংক্রান্ত সব তথ্য প্রকাশ করতে হবে, যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণ অনায়াসে পাবে। রাষ্ট্রের ভিত্তিগুলোর যৌক্তিকতা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা করতে হবে।

ষ সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবস্থার তথ্য জনগণকে জানানোর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। সংসদের কার্যাবলিসহ সব রাজনৈতিক কর্মসূচি, রাজনৈতিক বক্তব্য, কর্মকাণ্ড ও রাজনীতিকদের জীবনাচার সংক্রান্ত তথ্যাদি উš§ুক্তভাবে জনগণের জন্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
ষ ডিজিটাল সরকারের কাজ করার প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল। প্রচলিত কাগজভিত্তিক, ফাইল ও ফিতাভিত্তিক সরকার ব্যবস্থার বদলে সরকার কাজ করবে নেটওয়ার্ক, ইন্টার‌্যাক্টিভ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে। সরকারের সব তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হতে হবে এবং জনগণকে ডিজিটাল পদ্ধতিসহ অন্যান্য পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের জন্য সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।
ষ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। কেন্দ ীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগসহ জনগণকে সেবা প্রদান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ডিজিটাল হবে। স্থানীয় সরকারের সব তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হবে।
ষ ভূমি সংক্রান্ত সব তথ্য, মালিকানা ও নিবন্ধন ডিজিটাল পদ্ধতিতে করতে হবে। এসব বিষয়ের সব তথ্য অনলাইনে প্রাপ্ত হতে হবে। খাসজমি বরাদ্দ, দখল প্রদান, ভূমি সংক্রান্ত মামলা ও বিরোধসহ সব তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষিত এবং জনগণের কাছে প্রাপ্য হতে হবে। ডিজিটাল তথ্য ও উপাত্ত অনুসারে ভূমি ব্যবহারের নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গবেষণা ও কৃষি, পশুসম্পদ, মৎস্যসহ সকল পর্যায়ের উপকরণ, সহায়তা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।
ষ দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল যুগ বা জ্ঞানভিত্তিক সমাজের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য উপযুক্ত ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা দেয়া হবে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব হবে। দেশের প্রতিটি শিশুর হাতে পর্যায়ক্রমে কম্পিউটার প্রদান করতে হবে। প্রতি ঘরে ও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিতে হবে স্বল্প বা বিনামূল্যের দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। দেশের প্রতি ইঞ্চি জায়গা থেকে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে প্রবেশ করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ষ সশস্ত্র বাহিনীসহ সব শৃংখলা বাহিনীর ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য ডিজিটাল অস্ত্র ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার জন্য উপযুক্ত আইন প্রণয়নসহ ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা ও প্রাইভেসির বিষয়টি অনলাইন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
ষ পরিবর্তিত অবস্থার প্রেক্ষিতে সৃষ্ট নতুন ধরনের অপরাধ, সাইবার অপরাধ, সাইবার কমিউনিকেশন, অনলাইন আদান-প্রদান, নিউ মিডিয়া, ডিজিটাল কমার্স, ডিজিটাল লাইফস্টাইল, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং মেধাসম্পদ ইত্যাদি বিষয়কে পর্যালোচনা করে অপরাধ সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধিসহ অন্যান্য আইন পরিবর্তন করতে হবে। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডিজিটালসহ নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনমতো বায়োমেট্রিক জিন পরীক্ষা, অপরাধীর অবস্থান নির্ণয়ের জন্য গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, অপরাধীর ডাটাবেজ তৈরি করা ছাড়াও বিচার ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করতে হবে। আইনসমূহ অনলাইনে পাওয়ার পাশাপাশি, ডিএলআর ও অন্যান্য আইন প্রকাশনা ডিজিটাল ও অনলাইনে প্রাপ্য হতে হবে। বিচারপ্রার্থী অনলাইনে বিচার প্রার্থনা করার পাশাপাশি তার মামলা কোথায় কি অবস্থায় আছে তা যেন অনলাইনে জানতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। আইনজীবীরা যাতে অনলাইনে তাদের বক্তব্য পেশ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের সহায়তায় বাদী-বিবাদীর বক্তব্য বা সাক্ষ্য গ্রহণ করা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে।
ষ ২০২১ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু বার্ষিক আয় দুই হাজার ডলারে উন্নীত করতে হবে। ধীরে ধীরে জিডিপি’র বৃহৎ অংশ মেধাজাতসম্পদ থেকে উৎপন্ন করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তিসহ, প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা, কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য, গার্মেন্টস এবং সেবাখাতের রফতানিকে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করতে হবে। প্রয়োজনে এসব খাতে অর্থের জোগান দিতে হবে এবং রফতানি সহায়তাও করতে হবে। সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে, এক কথায় ডিজিটাল কমার্স। বাণিজ্যিক লেনদেন ও যোগাযোগ হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। শিল্প কলকারখানায় প্রয়োগ করতে হবে ডিজিটাল প্রযুক্তি।
ষ জ্ঞানভিত্তিক শিল্প ও সেবার ভিত্তি হবে মেধাভিত্তিক। পূর্বোক্ত খাতগুলোতে প্রযুক্তি সরবরাহ, উচ্চতর প্রযুক্তির জন্য গবেষণা, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিরোধ ছাড়াও রফতানি আয় এই খাতের অন্যতম লক্ষ্য হবে।
ষ স্বাস্থ্য সেবা, চিকিৎসা ও হাসপাতালে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করতে হবে। উপযুক্ত পর্যায়ে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করতে হবে।
ষ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের সকল তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে গ্রহণ ও প্রদান করতে হবে। আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে হতে হবে।
ষ যানবাহনের নিবন্ধনসহ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ডিজিটাল হবে। সব গণবাহনের সময়সূচি ও চলাচলের তথ্য, বুকিং, অবস্থান ইন্টারনেটে-মোবাইল নেটওয়ার্কে সার্বক্ষণিকভাবে পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
ষ ডিজিটাল দুনিয়াতে রাষ্ট্রভাষাসহ বাংলাদেশের সব ভাষার প্রচার, প্রকাশ ও বিকাশসহ বাঙালি ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সার্বিক সমৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে হবে। রাষ্ট্রকে ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার হিসেবে গড়ে তোলা ছাড়াও ডিজিটাল প্রকাশনাকে সর্বপ্রকারে উৎসাহিত ও সহায়তা করতে হবে।
ষ ধর্মচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও উপাত্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকাশ করে তা অনলাইনে বিনামূল্যে সহজলভ্য করতে হবে। মসজিদ-মন্দির-মক্তব ও মাদ্রাসার মাঝে এমনভাবে তথ্যকেন্দ বা ইনফরমেশন কিয়স্ক স্থাপন করতে হবে, যাতে ধর্ম সংক্রান্ত তথ্যগুলো টাচ স্ক্রিনের সহায়তায় খুব সহজেই যে কেউ পেতে পারে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান সরকারকে এই মুহূর্তেই পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারের এই মুহূর্তের করণীয় হচ্ছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালাসহ সকল নীতিমালা হালনাগাদ, সংশোধন বা প্রণয়ন করা। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রস্তুত করা এবং সেই রোডম্যাপ অনুসারে সকল কার্যক্রম গ্রহণ করা।
তরিক রহমান