সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০০৯

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিন'শ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত

বৃহষ্পতিবার প্রায় তিনশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম প্রধান অবকাঠামো হিসেবে ন্যাশনাল আইপি ব্যাকবন তৈরির লক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক সমূহের মধ্যে রয়েছে নতুন অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিদ্যমান অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে উচ্চমতা সম্পন্ন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে আইপি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা প্রদানের জন্য একসেস নেটওয়ার্ক স্থাপন।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট একসেস স্পিড ২৫৬ কেবিপিএস বা তার অধিক থাকবে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিপিএন, পয়েন্ট টু মালটি পয়েন্ট ট্রিপল প্লে বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আইপি ফোন, আইপিটি ভুক্ত এবং ভবিষ্যতে আইপি ভিত্তিক যেকোন সেবা সুবিধা পাওয়া যাবে।

মেসার্স কেটি কর্পোরেশন কোরিয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রকল্পবাস্তবায়নকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স কেটি কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।সরকারের পক্ষে বিটিসিএল এমডি এসএম খাবিরুজ্জামান এবং মেসার্স কে টি কর্পোরেশন, কোরিয়ার পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাং সু হো চুক্তি স্বাক্ষর করেন।ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেছেন, দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে ইন্টারনেট ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে আরো একধাপ অগ্রগতি সূচিত হলো।

তিনি ঢাকায় টেলিযোগাযোগ ভবন সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) জিয়া আহমেদ, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত সুক বাম পার্ক এবং বিটিসিএল এর এমডি এস এম খাবিরুজ্জামান বক্তৃতা করেন।মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইন্টারনেট ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক এক্সপানশন (ইনফোবাহন) প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে তথ্য প্রযুক্তি বিকাশে এক যুগান্তকারী ইতিহাসের সূচনা হবে। ছাত্র ছাত্রীরা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞান বিকাশের অবারিত সুযোগ পাবে।

কোন মন্তব্য নেই: